শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | তথ্যপ্রযুক্তি | ফটোগ্যালারি | বিজ্ঞান-প্রযুক্তি | শিরোনাম | সাবলিড » ৪০০০০ কিলোমিটার গতি, ২৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা : শেষ দিনে নভোচারীদের শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতা
৪০০০০ কিলোমিটার গতি, ২৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা : শেষ দিনে নভোচারীদের শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতা
বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ২০২২ সালে কোনো নভোচারীকে ছাড়াই শুধু মহাকাশযান পাঠিয়ে আর্টেমিস–১ চন্দ্রাভিযান পরিচালনা করেছিল। ওই মহাকাশযান অভিযান শেষে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফেরার সময় তাপ প্রতিরোধক ব্যবস্থায় ক্ষয় দেখা দিয়েছিল। এবার আর্টেমিস–২ অভিযানের সময়ও সেই উদ্বেগ ছিল। তবে সব উদ্বেগ পেছনে ফেলে আর্টেমিস–২ অভিযানের নভোচারীরা আজ শনিবার সকালে নিরাপদে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করেছেন।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের সময় অল্প সময়ের জন্য হিউস্টনে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে নভোচারীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এ সময় উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে পরে অভিযানের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যানের কণ্ঠস্বর শোনা যাওয়ামাত্রই নিয়ন্ত্রণকক্ষে স্বস্তি ফিরে আসে। মহাকাশযান থেকে পাওয়া তাঁর কণ্ঠস্বর নিশ্চিত করে, নভোচারীরা নিরাপদে পৃথিবীর পথে ফিরছেন। নিয়ন্ত্রণকক্ষকে ওয়াইজম্যান বলেন, ‘হিউস্টন, যোগাযোগ ঠিক আছে। আমরা আপনাদের স্পষ্টভাবে শুনতে পাচ্ছি।’মহাকাশযানের গতি ও তাপ
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় মহাকাশযানটি ঘণ্টায় প্রায় ৪০ হাজার কিলোমিটার গতিতে চলছিল। এর তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছিল প্রায় ২ হাজার ৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ অবস্থায় এটির গতি ছিল শব্দের গতির ৩০ গুণের বেশি এবং তাপমাত্রা সূর্যপৃষ্ঠের তাপমাত্রার প্রায় অর্ধেক।ওরিয়ন ক্যাপসুলটি যখন প্রচণ্ড তাপের কারণে উত্তপ্ত লাল প্লাজমায় ঢেকে গেল, তখন হিউস্টনের নিয়ন্ত্রণকক্ষে দুশ্চিন্তা দেখা দেয়। প্রায় ছয় মিনিট ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার সময়টাতে সবকিছু নির্ভর করছিল জীবনরক্ষাকারী হিট শিল্ড বা তাপ প্রতিরোধক ব্যবস্থার কার্যকারিতার ওপর।
একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষের যোগাযোগব্যবস্থায় রিড ওয়াইজম্যানের কণ্ঠস্বর ভেসে আসে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সফল পুনঃপ্রবেশ নিশ্চিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণকক্ষে করতালির শব্দ শোনা যায়। সেখানে নভোচারীদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।২০২২ সালে আর্টেমিস–১ অভিযানের সময় অপ্রত্যাশিতভাবে নভোযানের তাপ প্রতিরোধক ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবারের অভিযানে ঝুঁকি কমাতে পুনঃপ্রবেশের জন্য অপেক্ষাকৃত সংক্ষিপ্ত একটি পথ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বৈচিত্র্যময় এক নভোচারী দল
আর্টেমিস–২ অভিযানে বেশ কিছু রেকর্ড হয়েছে। নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার প্রথম অশ্বেতাঙ্গ, ক্রিস্টিনা কোচ প্রথম নারী এবং জেরেমি হ্যানসেন প্রথম অমার্কিন হিসেবে চাঁদের চারপাশ ঘুরে আসার রেকর্ড গড়েন। ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে নাসার অ্যাপোলো অভিযানগুলোতে কেবল শ্বেতাঙ্গ মার্কিন পুরুষদের নিয়েই নভোচারী দল গঠন করা হয়েছিল।
আর্টেমিস–২ অভিযানে অংশ নেওয়া নভোচারীরা মানুষ হিসেবে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে ভ্রমণের রেকর্ড গড়েছেন। ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো–১৩ অভিযানের চেয়েও দূরবর্তী জায়গায় ভ্রমণ করেছেন তাঁরা।
এই ঐতিহাসিক যাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তিন মার্কিন ও একজন কানাডীয় নভোচারী। তাঁরা হলেন—ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার, জেরেমি হ্যানসেন ও রিড ওয়াইজম্যান। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল—ভবিষ্যতে একটি বেজ স্থাপনসহ চাঁদে মানুষের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি নিশ্চিত করা।
এটি ছিল গত পাঁচ দশকের বেশি সময় পর প্রথম চাঁদের চারপাশে মানুষের ঘুরে আসার অভিযান।




শাহবাজ শরিফ ও জেডি ভ্যান্স বৈঠক
ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজের সঙ্গে বৈঠক করল ইরানি প্রতিনিধিদল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ: সর্বোচ্চ সতর্কতায় ইসলামাবাদ
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চায় না ইসরায়েল,চিরস্থায়ী যুদ্ধের’ ছক তৈরি নেতানিয়াহু সরকারের
ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকার্যকর’
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে ‘ব্যাপক সহায়তা’ দিচ্ছে “নেটো”: মার্ক রুটে
হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান
চুক্তি না মানলে আরও ভয়াবহ হামলা হবে: ট্রাম্প 