শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » জলবায়ু পরিবর্তন: ঢাকা-কলকাতার শহরের মানুষ বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে, জাতিসংঘ
জলবায়ু পরিবর্তন: ঢাকা-কলকাতার শহরের মানুষ বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে, জাতিসংঘ
বিবিসি২৪নিউজ,ডিজিটাল রিপোর্ট: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়া ও ‘স্থায়ী বন্যার’ কারণে ঢাকা, কলকাতা, মুম্বাইয়ের মত দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলোর লাখ লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি হারানোর ‘তাৎক্ষণিক ঝুঁকির’ মধ্যে রয়েছে।
জাতিসংঘ প্রকাশিত গত সোমবার এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের ‘চ্যালেঞ্জ রিলেটেড টু সি লেভেল রাইজ অ্যান্ড ওয়েই অ্যান্ড অ্যাপ্রোচেস টু অ্যাড্রেস ইট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইতিমধ্যে নগর অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা, পরিবহন নেটওয়ার্ক, বিদ্যুৎ গ্রিড, ভবন ও ভূগর্ভস্থ পানিসম্পদের ক্ষতি করছে, যার প্রভাব পড়ছে মানবাধিকার, উন্নয়ন ও আর্থিক স্থিতিশীলতার ওপর।
বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার নিচু বদ্বীপ অঞ্চলের শহর- যেমন ভারতের কলকাতা ও মুম্বাই এবং বাংলাদেশের ঢাকায় এর মূল প্রভাবটি পড়ছে। এসব শহরগুলোতে বাস্তুচ্যুত মানুষ বাড়ছে। এসব শহরগুলোতে স্থায়ী বন্যার কারণে ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ তাদের বাসস্থান হারানোর তাৎক্ষণিক ঝুঁকিতে রয়েছেন।
ঝুঁকির প্রকৃতি অঞ্চলভেদে ভিন্ন তথ্য দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি, নিউ ইয়র্ক এবং চীনের গুয়াংঝুর মত উচ্চ আয়ের উপকূলীয় শহরগুলোতে আনুমানিক ২ লাখ কোটি থেকে সাড়ে ৩ লাখ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পদ ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোতে প্রধান দুশ্চিন্তার বিষয় মানুষের বাস্তুচ্যুতি।
২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বছরে গড়ে ৪.৭ মিলিমিটার করে বেড়েছে, যা ২০২৪ সালে ৫.৯ মিলিমিটারে পৌঁছেছে বলেও প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘ।
সংস্থাটি বলছে, সামুদ্রিক উষ্ণতা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ২০২৪ সালে এই নতুন রেকর্ড তৈরি হয়। ২০১২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ছিল ৪.৭৫ মিলিমিটার। ২০২৫ সালে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার বৈশ্বিক গড় ২০২৪ সালের রেকর্ড ব্যবধানের কাছাকাছিই বজায় ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ৭৭ কোটি মানুষ এমন উপকূলীয় এলাকায় বসবাস করেন যা জোয়ারের উচ্চসীমার চেয়ে মাত্র ৫ মিটারেরও কম উঁচুতে অবস্থিত; যা তাদের চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এটি বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।
জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় বন্যা, মিষ্টি পানির লবণাক্তকরণ, নদীভাঙন এবং বাস্তুতন্ত্রের অবনতিকে আরও তীব্র করে তুলছে। এগুলো পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর ক্ষতি, পানিবাহিত রোগ, আঘাত ও মৃত্যু এবং মানসিক স্বাস্থ্যজনিত মানসিক চাপ বৃদ্ধির মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে।
একইভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ভূমির দেবে যাওয়ার প্রভাব বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে। পাশাপাশি সাগরের লোনা পানির ঢুকে সুপেয় পানির কুয়া ও মাটিকে দূষিত করে দিতে পারে। তেমনটি হলে পানীয় জলের নিরাপত্তা, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।




এপেক সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসতে পারেন ট্রাম্প-পুতিন-শি
ইরানকে সমর্থনের ঘোষণা পুতিনের, বললেন—‘ক্ষুধার্ত হাঙরের’ দাঁতভাঙা জবাব দেবে রাশিয়া
কেন? তিব্বতে বন্যার ছবি ধামাচাপা দিয়েছিল চীন
ইরান যুদ্ধে প্রকাশ্যে মার্কিন প্রশাসনের অন্তর্দ্বন্দ্ব
‘বোয়িং কেনায় ধন্যবাদ, শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশায় আছি : প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র
মোদি-পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, যা আলোচনা হলো
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলার দাবি
ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্প 