শিরোনাম:
●   এলপিজি আমদানির অনুমতি দিল সরকার ●   কোনো পক্ষপাত করিনি: সিইসি ●   অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও কেনো হলো না সাগর-রুনি হত্যার বিচার ●   গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের অনেক দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প ●   বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ●   আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা প্রমাণ করতে পারেনি গাম্বিয়া, দাবি মিয়ানমারের ●   জামায়াত আমিরের সঙ্গে সেই বৈঠক প্রসঙ্গে যা জানালেন ভারত ●   আমেরিকার ভিসা স্থগিতে লাখো বাংলাদেশি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হবেন’ ●   যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক ●   নির্বাচনী জোটে ১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি
ঢাকা, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২
BBC24 News
সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২০
প্রথম পাতা » video | অর্থনীতি | অস্ট্রেলিয়া | আইন-আদালত | আনন্দ-বিনোদন | আফ্রিকা | আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | আলোচিত সংবাদ | ইউরোপ | এক্সক্লুসিভ | এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | খাবারদাবার | খেলাধুলা | ছুটির দিনে | জাতীয় | জীবনযাপন | জেলার খবর | তথ্যপ্রযুক্তি | দক্ষিণ আমেরিকা | নির্বাচন | নির্বাচিত বিভাগ | পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রশাসন | প্রিয়দেশ | প্র্রবাহ | ফটোগ্যালারি | ফিচার | ফ্যাশন | বিজ্ঞান-প্রযুক্তি | বিজ্ঞাপন | বিশেষ প্রতিবেদন | বিশেষ বিভাগ | মতামত | মিডিয়া ওয়াশ | রাজনীতি | রূপচর্চা | লাইফস্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | শিরোনাম | শিল্প বাণিজ্য | শেয়ার বাজার | সম্পাদকীয় | সর্বশেষ সংবাদ | সাক্ষাৎকার | সাবলিড | সার্ক | সাহিত্য ও সংস্কৃতি | স্টাইল | স্বাস্থ্যকথা » সাক্ষ্য আইনে পরিবর্তন জরুরি হয়ে পড়েছে
প্রথম পাতা » video | অর্থনীতি | অস্ট্রেলিয়া | আইন-আদালত | আনন্দ-বিনোদন | আফ্রিকা | আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | আলোচিত সংবাদ | ইউরোপ | এক্সক্লুসিভ | এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | খাবারদাবার | খেলাধুলা | ছুটির দিনে | জাতীয় | জীবনযাপন | জেলার খবর | তথ্যপ্রযুক্তি | দক্ষিণ আমেরিকা | নির্বাচন | নির্বাচিত বিভাগ | পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রশাসন | প্রিয়দেশ | প্র্রবাহ | ফটোগ্যালারি | ফিচার | ফ্যাশন | বিজ্ঞান-প্রযুক্তি | বিজ্ঞাপন | বিশেষ প্রতিবেদন | বিশেষ বিভাগ | মতামত | মিডিয়া ওয়াশ | রাজনীতি | রূপচর্চা | লাইফস্টাইল | শিক্ষাঙ্গন | শিরোনাম | শিল্প বাণিজ্য | শেয়ার বাজার | সম্পাদকীয় | সর্বশেষ সংবাদ | সাক্ষাৎকার | সাবলিড | সার্ক | সাহিত্য ও সংস্কৃতি | স্টাইল | স্বাস্থ্যকথা » সাক্ষ্য আইনে পরিবর্তন জরুরি হয়ে পড়েছে
৫৪৫৭ বার পঠিত
সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সাক্ষ্য আইনে পরিবর্তন জরুরি হয়ে পড়েছে

সাক্ষ্য আইনে পরিবর্তন জরুরি হয়ে পড়েছে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনে পরিবর্তন আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ বর্তমান সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ যুক্ত করার সময় এসেছে।

‘আদালতে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের ব্যবহার’ নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। সোমবার থেকে রাজধানীর একটি হোটেলে মার্কিন দূতাবাস ও যুক্তরাজ্য হাইকমিশনের উদ্যোগে চার দিনের এই কর্মশালা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের বিচারক ও কৌঁসুলিরা এই কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। এতে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন হালনাগাদ করা এবং আদালতে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের ব্যবহারকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগে সহায়তা দেওয়া নিয়ে আলোচনা করবেন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, এক শ বছরের বেশি পুরোনো সাক্ষ্য আইন হালনাগাদ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ১৮৭২ সালের ওই আইন এখন পর্যন্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে একুশ শতকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের প্রেক্ষাপটে এ আইনে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাঁর মতে, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ চালুর ক্ষেত্রে যে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা দূর করা গেলে বিচারক ও তদন্ত কর্মকর্তাদের কাজে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে সাক্ষ্যপ্রমাণের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান যুক্ত করা হয়েছে, যাতে অডিও ভিজ্যুয়াল যন্ত্রপাতিকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেন, সিডি, ডিভিডি, হার্ডডিস্ক মেমোরি কার্ড, ওয়েবসাইট, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন, ইনস্ট্যান্ট চ্যাট মেসেজ, এমএমএস কম্পিউটার জেনারেটেড ডকুমেন্টস সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দুটিই সৃষ্টি করেছে।

‘আদালতে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের ব্যবহার’ শীর্ষক কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন (বা থেকে) মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন। ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি। ছবি: সংগৃহীত‘আদালতে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের ব্যবহার’ শীর্ষক কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন (বা থেকে) মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন। ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি। ছবি: সংগৃহীতবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনে পরিবর্তন আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ বর্তমান সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ যুক্ত করার সময় এসেছে।

‘আদালতে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের ব্যবহার’ নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। সোমবার থেকে রাজধানীর একটি হোটেলে মার্কিন দূতাবাস ও যুক্তরাজ্য হাইকমিশনের উদ্যোগে চার দিনের এই কর্মশালা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের বিচারক ও কৌঁসুলিরা এই কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। এতে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন হালনাগাদ করা এবং আদালতে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের ব্যবহারকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগে সহায়তা দেওয়া নিয়ে আলোচনা করবেন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, এক শ বছরের বেশি পুরোনো সাক্ষ্য আইন হালনাগাদ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ১৮৭২ সালের ওই আইন এখন পর্যন্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে একুশ শতকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের প্রেক্ষাপটে এ আইনে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাঁর মতে, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ চালুর ক্ষেত্রে যে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা দূর করা গেলে বিচারক ও তদন্ত কর্মকর্তাদের কাজে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে সাক্ষ্যপ্রমাণের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান যুক্ত করা হয়েছে, যাতে অডিও ভিজ্যুয়াল যন্ত্রপাতিকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেন, সিডি, ডিভিডি, হার্ডডিস্ক মেমোরি কার্ড, ওয়েবসাইট, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন, ইনস্ট্যান্ট চ্যাট মেসেজ, এমএমএস কম্পিউটার জেনারেটেড ডকুমেন্টস সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দুটিই সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের প্রতি সমর্থন রয়েছে উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার বলেন, বিচারকাজে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশের আদালত অঙ্গনে ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। কারণ, এটি কৌঁসুলি ও বিচারকদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্যপ্রমাণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়াবে। এ ছাড়া এটি দ্রুততম সময়ে অপরাধের বিচার নিষ্পত্তি করা এবং মামলাজট কমাতে সহায়ক হবে।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন বলেন, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ যথাযথভাবে ব্যবহার করা হলে তা বিচার প্রশাসনের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

কর্মশালাটি পরিচালনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কেন্দ্রীয় বিচারক ও তিনজন সরকারি কৌঁসুলি, যুক্তরাজ্যের একজন ফৌজদারি বিচারবিষয়ক উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন অধ্যাপক। বিশেষ পরিস্থিতিতে বর্তমানে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ অনুমোদিত, এমন কিছু ট্রাইব্যুনাল থেকে আমন্ত্রিত বিচারক ও কৌঁসুলিরা এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল, সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এবং পরিকল্পনাধীন মানব পাচারবিরোধী ট্রাইব্যুনাল।

কর্মশালায় অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশের আদালতে ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণের গ্রহণযোগ্যতার বর্তমান অবস্থা, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ ও আদালতে উপস্থাপনের জন্য বিধিমালা, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ সম্পর্কিত আপিলবিষয়ক উদ্বেগ এবং ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মতামত চিহ্নিতকরণ ও উপস্থাপন।



আর্কাইভ

এলপিজি আমদানির অনুমতি দিল সরকার
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও কেনো হলো না সাগর-রুনি হত্যার বিচার
বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা প্রমাণ করতে পারেনি গাম্বিয়া, দাবি মিয়ানমারের
আমেরিকার ভিসা স্থগিতে লাখো বাংলাদেশি ‘ক্ষতিগ্রস্ত হবেন’
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক
নির্বাচনী জোটে ১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি
মধ্যপ্রাচ্যের পথে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’
ইইউতে তৈরি পোশাকের বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ
ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র