শিরোনাম:
●   ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জার্মান ●   নতুন প্রজন্মের’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলের বিমানবন্দরে হামলা: ইরান ●   জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতারে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ●   ইরান আর আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডার কি ফুরিয়ে আসছে? ●   ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্লাস্টার ব্যালাস্টিক মিসাইল ●   ইরান নয়, সাইপ্রাসের ব্রিটিশ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ●   ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচনে আমাকে যুক্ত থাকতে হবে: ট্রাম্প ●   যুদ্ধে ইরানের নতুন কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র কি ফাঁদে পড়ল ●   দেশব্যাপী ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ●   পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের বৈঠক
ঢাকা, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

BBC24 News
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রিয়দেশ | শিক্ষাঙ্গন | শিরোনাম | সাবলিড » খিচুড়ি রান্না শিখতে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রিয়দেশ | শিক্ষাঙ্গন | শিরোনাম | সাবলিড » খিচুড়ি রান্না শিখতে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
১৭২৫ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

খিচুড়ি রান্না শিখতে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

---বিবিসি২৪নিউজ, নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকাঃ ডিম-খিচুড়ি, সবজিসহ অন্যান্য খাবার রান্না ও প্রসেসিং শিখতে প্রাথমিকভাবে বিদেশ যাত্রার জন্য চাওয়া হয়েছে পাঁচ কোটি টাকা। এ বিষয়ে দেশে প্রশিক্ষণের জন্য আরও ১০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

দেশে এবং বিদেশে প্রশিক্ষণ বাবদ মোট খরচ চাওয়া হয়েছে ১৫ কোটি টাকা।
জানা যায়, এক হাজার সরকারি কর্মকর্তাকে খিচুড়ি রান্না শিখতে বা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় এসব কর্মকর্তারা বিদেশ সফর করবেন।

যদিও পরিকল্পনা কমিশনের শিক্ষা উইং বিভিন্ন খাতে খরচ ও করোনার সময়ে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আপত্তি তুলেছে।

একইসঙ্গে বলা হয়েছে এই খরচ বাদ দেওয়ার জন্য।
বর্তমানে ৩৩ লাখের মতো শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে।
বিভিন্ন কারণে তারা স্কুলে যাচ্ছে না। এদের বিদ্যালয়মুখী করার জন্য প্রাইমারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছে।
খাবার বিতরণের ফলে শিশুরা স্কুলে যাবে এবং তাদের পুষ্টিগত সমস্যা নিরসন হবে বলে দাবি ডিপিইর।

জানা যায়, ১৯ হাজার ২৮২ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ের এই কর্মসূচির মাধ্যমে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার শিক্ষার্থীকে খাদ্য সরবরাহ করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রকল্পটি নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা করেছে।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) আবুল কালাম আজাদ পিইসি সভায় সভাপতিত্ব করেন।

ডিপিই এর এসব ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। একইসঙ্গে ব্যয় কমাতে বলা হয়েছে নানা খাতে। ৫ কোটি টাকার বিদেশ ভ্রমণ কমাতে বলা হয়েছে। তবে প্রাইমারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচি ভারতে চালু রয়েছে। এজন্য ৫ থেকে ৬ জনের একটা টিম ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যাবে এবং স্কুল ফিডিং কার্যক্রম শিখবে। ফলে এ খাতে ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে কমানো হয়েছে বলে জানায় পরিকল্পনা কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রকল্পটি নিয়ে আমরা পিইসি সভা করেছি। অনেক খাতে ব্যয় কমানো হয়েছে আবার অনেক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভারতে একই ধরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারা (ভারত) কীভাবে খাবার রান্না ও প্রসেসিং করে এটা শিখতে ৫ থেকে ৬ জনের একটি টিম ভারতের রাজধানীতে যাবেন। তবে খিচুড়ি রান্না শিখতে বিদেশ সফরে যাবেন এমন খবর মিথ্যা। কেউ হয়তো অতিরঞ্জিত করার জন্য এমন খবর ছড়াচ্ছে।

সচিব আরও বলেন, ভারতে একটি টিম সিস্টেম শিখতে যাবেন। কীভাবে বাচ্চাদের খাবার বিতরণ ও প্রসেসিং করা হয়। কেউ যাতে বিশাল প্রকল্পটি মিস ইউজ না করতে পারেন। ডিমসহ বাচ্চাদের পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হবে। প্রকল্পটি পরবর্তী সময়ে রাজস্ব খাতে চলে আসবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, প্রকল্পের ডিপিপিতে (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) শিশুদের খাবার বিতরণ খরচ ১ হাজার ৭১৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ফরটিফাইড বিস্কুট এবং পুষ্টিকর রান্না করা খাবার- এই দুই ধরনের খাবারের মডালিটিজ কার্যকর করা হবে। জাতীয় ও মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, প্রোগ্রাম পর্যালোচনা কর্মশালা, ওরিয়েন্টেশন ওয়ার্কশপ এবং ইস্যুভিত্তিক প্রযুক্তিগত সেমিনার, প্রকল্পভুক্ত প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় খাদ্য এবং বিস্কুট সংরক্ষণ, বিতরণ ও মনিটরিংয়ের জন্য বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) নিয়োগ করা হবে।

প্রকল্পের মোট ব্যয় সরকারি কোষাগার থেকে মেটানো হবে। এর মধ্যে খাদ্য কেনা বাবদ খরচ হবে ১৭ হাজার ১৮৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আর এই খাদ্য বিতরণে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৭১৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। যেসব স্কুলে রান্না ঘর তৈরি করবে এবং রান্নার সরঞ্জামাদি সামাজিকভাবে জোগাড় করবে সেখানেই কেবল রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হবে। এ ক্ষেত্রে কতগুলো স্কুল তা করতে পারবে সে ধরনের কোনো তথ্যও এখানে উল্লেখ নেই প্রকল্পে।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রকল্পটি এক সময় রাজস্ব খাতের আওতায় চলে যাবে। প্রকল্পের আওতায় একটি টাকাও যাতে অপচয় না হয় সেই বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। এজন্য অনেক খাত থেকেই ব্যয় কর্তন করা হয়েছে।



আর্কাইভ

ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জার্মান
নতুন প্রজন্মের’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলের বিমানবন্দরে হামলা: ইরান
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতারে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
ইরান আর আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডার কি ফুরিয়ে আসছে?
ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্লাস্টার ব্যালাস্টিক মিসাইল
ইরান নয়, সাইপ্রাসের ব্রিটিশ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
যুদ্ধে ইরানের নতুন কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র কি ফাঁদে পড়ল
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের বৈঠক
ইরানের হামলায় হতাহত ৬৫০ মার্কিন সেনা, পালিয়েছে রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন
বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার আগের মতো নেই: ট্রাম্প