শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | ইউরোপ | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম | সাবলিড » ইউরোপে আমেরিকান সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো নেটো
ইউরোপে আমেরিকান সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো নেটো
বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইউরোপে আমেরিকার সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে নেটোর সেক্রেটারি জেনারেল জেন্স স্টোলটেনবার্গ জানিয়েছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত উত্তেজনায় নেটো তার মিত্র দেশগুলোর দক্ষিণ-পূর্বাংশে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর কথা ভাবছে।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার পাশাপাশি নেটো “অর্থপূর্ণ সংলাপ”-এ বসতে এবং সংকটের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতেও প্রস্তুত।
ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার মোতায়েন করা এক লাখেরও বেশি সৈন্য ফিরিয়ে নিতে পুতিনকে রাজি করানোর উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে ইউক্রেন আক্রমণের পরিকল্পনার কথা রাশিয়া অস্বীকার করেছে।
বৃহস্পতিবার স্টোল্টেনবার্গ জানান, “বেলারুশে রুশ সৈন্যদের উল্লেখযোগ্য গতিবিধি” লক্ষ্য করা গেছে। বেলারুশ ইউক্রেনের উত্তরদিকে অবস্থিত যেখানে এই মাসে রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে চলেছে। স্টোল্টেনবার্গ আরও জানান, “স্নায়ু যুদ্ধের পর এটাই সেখানে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় সেনা মোতায়েনের ঘটনা”।
রাশিয়া নেটোর কাছে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে মোতায়েন করা সেনা ও অস্ত্র প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে এবং ইউক্রেন ৩০ সদস্যের এই সামরিক জোটে যাতে যোগ দিতে না পারে তা স্পষ্ট করতে বলেছে। নেটো এবং ইউক্রেন এই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করে বলেছে দেশগুলো নিজের ইচ্ছানুযায়ী মিত্র বেছে নিতে পারবে।
প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এজেন্স ফ্রান্স প্রেস ও রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।




যুদ্ধ বন্ধে পাঁচ শর্ত দিল ইরান
ইরানে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান ইউরোপীয় কমিশনের
বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান জানাল বাংলাদেশ
প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
ইরানের পাশে থাকবে পাকিস্তান
ইরানের সঙ্গে —ট্রাম্পের দাবির পর ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরানের সঙ্গে ৬ শর্তে আলোচনা বসতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
তেহরানের পাশে ‘একনিষ্ঠ বন্ধু মস্কো: পুতিন 