শিরোনাম:
●   বাংলাদেশের নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান জাতিসংঘের ●   কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় হাই স্কুলে গুলি, নিহত ১০ ●   অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কার কত সম্পদ ●   জয়- পরাজয় দুটোই গণতন্ত্রের অংশ: প্রধান উপদেষ্টা ●   মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে ইসি ●   পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার ●   জেফ্রি এপস্টিন অধ্যায় ছেড়ে আমেরিকার এগিয়ে যাওয়া উচিত: ট্রাম্প ●   নবনির্বাচিত এমপিদের এবার শপথ পড়াবেন সিইসি ●   বাংলাদেশের জন্য ভারত–ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ●   বাংলাদেশে ক্যান্টনমেন্টে ব্যক্তিগত অস্ত্র বা গানম্যান নেওয়ার বিষয়ে বিধান কী?
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২

BBC24 News
মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রথম পাতা » এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | মিডিয়া ওয়াশ | শিরোনাম | সাবলিড » শেখ হাসিনা ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে গার্ডিয়ান প্রতিবেদন
প্রথম পাতা » এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য | মিডিয়া ওয়াশ | শিরোনাম | সাবলিড » শেখ হাসিনা ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে গার্ডিয়ান প্রতিবেদন
৬০০ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শেখ হাসিনা ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে গার্ডিয়ান প্রতিবেদন

---বিবিসি২৪নিউজ,অনলাইন ডেস্ক: ছাত্র আন্দোনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। এই প্রেক্ষাপটে ভারত এখন একটি কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হয়েছে। হাসিনার দীর্ঘকালীন সমর্থক হিসেবে পরিচিত দিল্লি, এখন নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চাপে পড়েছে।

আগস্টের শুরুতে, যখন বাংলাদেশজুড়ে বিক্ষোভ তীব্র হয়ে ওঠে এবং রাস্তায় রাস্তায় লাশ দেখা যায়, তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত একটি হেলিকপ্টারে চড়ে ভারতের উদ্দেশে রওয়ানা দেন। তার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সহযোগী বা সিনিয়র মন্ত্রী ছিলেন না। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি ভারতে পৌঁছে যান এবং সেই থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ছাত্র বিক্ষোভ থেকে শুরু হয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন হাসিনার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তার সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর কঠোর দমন-পীড়ন চালায়, ফলে শত শত মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়। এই পরিস্থিতিতে, ৫ আগস্ট হাসিনা যখন তার বাসভবন ত্যাগ করেন, তখন বাংলাদেশজুড়ে সাধারণ মানুষ উদযাপনে মেতে ওঠে। তবে দিল্লিতে, হাসিনার পতনকে দেখা হয় বিপর্যয় হিসেবে। ভারত বহুদিন ধরেই শেখ হাসিনার অন্যতম প্রধান সমর্থক ছিল।

১৯৭৫ সালে তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর তাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। সেখানে তিনি ৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিবারের সঙ্গে নির্বাসিত ছিলেন। দিল্লির সঙ্গে হাসিনার ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার মাধ্যমেই বাংলাদেশকে ভারতের প্রধান আঞ্চলিক মিত্রে পরিণত করেছিলেন হাসিনা। তবে, ভারতীয় কর্মকর্তাদের ওপর বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ উঠেছে, যা হাসিনার শাসনকালকে আরও কঠোর ও স্বৈরাচারী করে তুলেছিল।

বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, দিল্লি হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে এবং নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে বিদেশি শক্তিগুলোকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর, হাসিনা প্রথমেই তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে, বিশ্লেষকরা মনে করছেন- ভারতকে তাদের নীতি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখন বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করছে। তারা এই মুহুর্তে হাসিনা সরকারের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চায়। নতুন সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে।

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও অপহরণের অভিযোগে শতাধিক মামলা দায়ের হয়েছে এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। বাংলাদেশের সরকার তার কূটনৈতিক পাসপোর্টও বাতিল করেছে, যার মাধ্যমে তিনি ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।

বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভারতকে আহ্বান জানিয়েছেন শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য। তিনি অভিযোগ করেছেন, শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেখ হাসিনার প্রতি ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এখন তাদের নিজেদের জন্য সংকটময় হয়ে উঠেছে। ভারত এখন একটি জটিল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে এবং বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।

ভারতের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, তা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি। বরং দিল্লি স্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের কথা বলেছে, যা বাংলাদেশের নতুন সরকারের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বাংলাদেশের এক বিশ্লেষক বলেছেন, আমরা স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করছি না, আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছি।



আর্কাইভ

বাংলাদেশের নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান জাতিসংঘের
কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় হাই স্কুলে গুলি, নিহত ১০
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কার কত সম্পদ
মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে ইসি
পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার
বাংলাদেশে ক্যান্টনমেন্টে ব্যক্তিগত অস্ত্র বা গানম্যান নেওয়ার বিষয়ে বিধান কী?
বিএনপি সবদিক দিয়ে ব্যর্থ হয়ে জামায়াতের ওপর আক্রমণ করছে: গোলাম পরওয়ার
জামায়াতে ইসলামী এখন নতুন জালেমের ভূমিকায় আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বৈঠক করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
নারীর নেতৃত্ব কোরআনের পরিপন্থী: জামায়াতের মহিলা সেক্রেটারি