শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২

BBC24 News
মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » ট্রাম্পের অর্ধশত নির্বাহী আদেশ: বাইডেন নীতি বদল
প্রথম পাতা » আমেরিকা | আর্ন্তজাতিক | পরিবেশ ও জলবায়ু | শিরোনাম » ট্রাম্পের অর্ধশত নির্বাহী আদেশ: বাইডেন নীতি বদল
৪০৭ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ট্রাম্পের অর্ধশত নির্বাহী আদেশ: বাইডেন নীতি বদল

---বিবিসি২৪নিউজ,ফরিদা ইয়াসমিন (ওয়াশিংটন) যুক্তরাষ্ট্র থেকে: প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই প্রায় অর্ধশত নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্ষমতার বলিষ্ঠ প্রয়োগে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন, যাতে অভিবাসন, পরিবেশ ও বৈচিত্র্য বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান নীতিগুলো বদলে দেওয়ার অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে।

ট্রাম্পের একের পর এক নির্বাহী আদেশ জারির লক্ষ্য ছিল বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পথ থেকে দেশকে ফিরিয়ে আনা। এই প্রচেষ্টায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ নীতি, জলবায়ু ও অভিবাসন। পাশাপাশি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নিজের এজেন্ডাকে সামনে নিয়ে এসেছেন ট্রাম্প। প্রাকৃতিক সম্পদের অনুসন্ধান ও তা উত্তোলনের সুযোগ তৈরি এবং শরণার্থী ও অভিবাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যে বৈশ্বিক ভূমিকা রাখছে, তা বদলে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

গতকাল সোমবার শপথ নেওয়ার পর সন্ধ্যায় এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, তিনি বিগত প্রশাসনের প্রায় ৮০টি ‘ক্ষতিকর, কট্টরপন্থী নির্বাহী পদক্ষেপ’ও বাতিল করছেন।

বাইডেনের যেসব আদেশ ট্রাম্প বাতিল করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের শরণার্থী কর্মসূচি নবায়ন এবং ধাপে ধাপে বিচার বিভাগের ব্যক্তিমালিকানাধীন কারাগারের ব্যবহার বন্ধ।

ট্রাম্পের এসব নির্বাহী আদেশের কিছু নিশ্চিতভাবে আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে এবং অনেকগুলো প্রতীকী হিসেবে থাকবে। তবে একসঙ্গে এসব আদেশ বাইডেন প্রশাসন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে পরিচালিত করেছে, তার চেয়ে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করার তাঁর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প ও তাঁর সহকর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপ স্টেট’ বলে যে ব্যবস্থাকে বুঝিয়েছেন, সেটা ভেঙে দেওয়ার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারসহ প্রথম দিনে ট্রাম্প যেসব বিষয়ে পরিবর্তন এনেছেন, তার উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:কেন্দ্রীয় সরকারের জনবল
সামরিক বাহিনী এবং অভিবাসন আইন বাস্তবায়ন (ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট), জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের সব বিভাগে কর্মী নিয়োগ বন্ধ।

ট্রাম্প প্রাশসনের নিয়োগ করা ব্যক্তিরা পর্যালোচনা করার আগে কেন্দ্রীয় কোনো বিধিবিধান কার্যকর করা স্থগিত।

বাইডেন প্রশাসনের অনুসন্ধানমূলক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা, যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হাতিয়ার এবং গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করা–সংশ্লিষ্ট বিগত প্রশাসনের ‘অপকর্ম’ সংশোধন করা যায়।

প্রচলিত যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়া ছাড়াই হোয়াইট হাউসের কর্মীদের নিরাপত্তা বিভাগের ছাড়পত্র প্রদান।

দূরবর্তী স্থানে বসে কাজের সুযোগ বন্ধ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের পুরো সময় অফিসে এসে কাজ করার নির্দেশ।অভিবাসন ও সীমান্ত
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে পৌঁছানো ব্যক্তিদের আশ্রয়ের আবেদনের সুযোগ বন্ধ।

জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বাতিল।

যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা।

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থী মেক্সিকোর অধিবাসী নন—এমন ব্যক্তিদের এ–সংক্রান্ত শুনানি হওয়ার আগপর্যন্ত মেক্সিকোয় অপেক্ষা।

মাদক চক্রগুলোকে ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা।

জেন্ডার ও বৈচিত্র্য, ন্যায়পরায়ণতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ
সাম্প্রতিক বছরগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে স্কুল এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো নারী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সহায়তায় বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করা হয়। ‘বৈচিত্র্য, ন্যায্যতা ও অন্তর্ভুক্তির (ডিইআই)’ অধীন শ্রেণিবদ্ধ এসব চর্চার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার তহবিল দিয়ে আসছিল। ট্রাম্প এই কর্মসূচির ইতি টেনেছেন।

দুটি জেন্ডারের স্বীকৃতি—পুরুষ ও নারী।

কেন্দ্রীয় সরকারের কারাগারগুলোতে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সুরক্ষা প্রত্যাহার।

জ্বালানি ও পরিবেশ
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা।

৬২৫ মিলিয়ন একর জলসীমায় খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনায় বাইডেনের নিষেধাজ্ঞা বাতিলের প্রচেষ্টা।

টিকটক নিষিদ্ধ
টিকটক নিয়ে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। এতে চীনা মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক নিষিদ্ধ করার আইন স্থগিত হলো। ট্রাম্প এর আগে টিকটকের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তাঁর এ অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, গত বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় টিকটকে তাঁর ভিডিওগুলো কোটি কোটিবার দেখা হয়েছে।



আর্কাইভ

ইরানকে নেতৃত্বশূন্য করতে চাই: যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কি নতুন পথে?
উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়ে লন্ডভন্ড দুই শতাধিক ঘরবাড়ি
ইরানের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ নয়’: ট্রাম্পকে ইউরোপীয় নেতারা
শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
ইরানি ‘শাহেদ’কে টেক্কা দিতে মার্কিন ‘লুকাস’ ড্রোন, ট্রাম্পের
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ইরানের হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইরানকে গোপনে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া
ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে ২,৫০০ মার্কিন স্থলসেনা
ইরাকে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, ৪ সেনার মৃত্যু