শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » আর্ন্তজাতিক | শিরোনাম | সাবলিড » ইরানকে গোপনে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া
ইরানকে গোপনে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া
বিবিসি২৪নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যখন দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–কে জানিয়েছেন যে রাশিয়া ইরানকে সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ওই কর্মকর্তারা শুধু একটি কৌশলগত জোটের ইঙ্গিত দেননি। তাঁরা সামনে এনেছেন যুদ্ধের এক নতুন বাস্তবতা। এমন এক যুদ্ধ, যার কোনো নির্দিষ্ট ফ্রন্টলাইন নেই।
এই যুদ্ধ ট্যাংক বা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লড়া হচ্ছে না। এখানে লড়াই হচ্ছে রাডারের তরঙ্গ, স্যাটেলাইটের তথ্য এবং এনক্রিপ্ট করা স্থানাঙ্ক দিয়ে। উপসাগরীয় অঞ্চলে এখন যুদ্ধক্ষেত্র মূলত তড়িৎচৌম্বক বর্ণালি। দুই পক্ষই চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষের প্রযুক্তিকে অন্ধ করে দিতে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নাকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। কিন্তু এই অস্বীকারের বাস্তব গুরুত্ব খুব বেশি নয়। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া ইতিমধ্যে ইরানের ড্রোন ও গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে যে লক্ষ্য নির্ধারণের তথ্য দিয়েছে, তা ব্যবহার করে রুশ অবস্থানে হামলা হয়েছে। এমনকি পুতিনের বাসভবনের কাছাকাছি এলাকাও নাকি লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। ফলে মস্কোর হিসাব বোঝা কঠিন নয়। গোয়েন্দা তথ্য এখন একধরনের মুদ্রা। পুতিন কেবল সেই মুদ্রা খরচ করছেন।দশকের পর দশক ধরে উপসাগরীয় অঞ্চল ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রযুক্তিগত আধিপত্যের ক্ষেত্র। সেই আধিপত্য পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। কিন্তু চীনের সামরিক প্রযুক্তি সরবরাহ এবং রাশিয়ার গোয়েন্দা সহায়তার কারণে তা ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়েছে।
সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা ব্রুস রিডেল একবার বলেছিলেন, আধুনিক যুদ্ধে অনেক সময় স্থানাঙ্ক গুলির চেয়েও বেশি মূল্যবান। যে জানে শত্রু কোথায় আছে, শেষ পর্যন্ত জয়ের সম্ভাবনাও তারই বেশি। উপসাগরীয় অঞ্চলে এখন সেই বাস্তবতাই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সহায়তা ইরানকে এমন নির্ভুলভাবে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক সম্পদের অবস্থান নির্ধারণে সহায়তা করছে, যা তেহরানের পক্ষে একা সম্ভব ছিল না।
ইরানের নিজস্ব সামরিক নজরদারি স্যাটেলাইট খুবই সীমিত। খোলা সমুদ্রে দ্রুতগতির নৌবহর অনুসরণ করার জন্য তা যথেষ্ট নয়। রাশিয়ার ক্ষেত্রে সেই সীমাবদ্ধতা নেই। তাদের উন্নত নজরদারি স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক রয়েছে। বিশেষ করে কানোপাস-ভি স্যাটেলাইট, যা ইরানে যাওয়ার পর খাইয়াম নামে পরিচিত হয়েছে। কানোপাস-ভি স্যাটেলাইট তেহরানকে দিনরাত অপটিক্যাল ও রাডার চিত্র সরবরাহ করতে পারে। ইরানের জন্য এটি শুধু সামরিক সক্ষমতার একটি সহায়ক উপাদান নয়, বরং নির্ভুল আঘাত হানার কৌশলের স্নায়ুতন্ত্রের মতো কাজ করছে।




ইরান যুদ্ধ ঘিরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব
স্পেন ও ইটালি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের
ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে : ম্যার্ৎস
মার্কিন বোয়িংয়ের সাথে বাংলাদেশ বিমানের ১৪ টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫০০ কোটি ডলার: পেন্টাগন
নতুন পদ্ধতিতে জেট ফুয়েল তৈরি করছে চীন
ইরানে আর হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প
ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব ধরনের সহায়তা করবে রাশিয়া- পুতিন
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি চীনের
হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ 