শিরোনাম:
●   জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ●   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ ●   নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন ●   রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা ●   প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান ●   আপাতত ঢাকায় থাকবেন প্রফেসর ইউনূস ●   জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি ●   মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ●   মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা ●   বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান
ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২

BBC24 News
সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | ফটোগ্যালারি | শিরোনাম | সাবলিড » ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রস্তুতির নির্দেশ
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | ফটোগ্যালারি | শিরোনাম | সাবলিড » ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রস্তুতির নির্দেশ
১২৩৪ বার পঠিত
সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রস্তুতির নির্দেশ

---বিবিসি২৪নিউজ,স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ঢাকাঃ আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে মুক্তিযুদ্ধের জন্য বাঙালি জাতিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

পরাধীনতা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এই ভাষণ এক অনন্যসাধারণ ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এই ভাষণের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা শব্দটি উচ্চারণ করেছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সেই স্বাধীনতা অর্জনে গেরিলাযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি আজ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবেও স্বীকৃত। এটি বিশ্বে সর্বাধিকবার প্রচারিত অলিখিত ভাষণ।

এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক উত্তাল জনসমুদ্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন—‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন।

তার এই ভাষণ ছিল জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার চূড়ান্ত নির্দেশনা।
এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো জনতার সামনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পরাধীন জাতিকে স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে দিক-নির্দেশনা দেন তিনি। তার ওই ভাষণের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে ওঠে স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সকল দিক-নির্দেশনা। মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন—‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি…, তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাক। ’ ৭ মার্চের এই ভাষণের মধ্যেই স্পষ্ট ছিল পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতন থেকে মুক্ত হতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। পাকিস্তানের শাসন-শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত পর্বে বঙ্গবন্ধু এই ভাষণ দেন। ২০১৭ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেসকো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এই ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যের (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) স্বীকৃতি দেয়।

স্বাধীনতার জন্য অদম্য স্পৃহা নিয়ে সংগ্রামরত মুক্তিকামী জাতির আশা আকাঙ্ক্ষা বাস্তায়নে বঙ্গবন্ধু সেদিন বজ্রকণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন—‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ। ’ বঙ্গবন্ধুর ওই নির্দেশের পর ছাত্র, যুবসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের জন্য সেভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে।১৯৪৭ সালে ধর্মভিত্তিক ভ্রান্ত দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে চাপিয়ে দেওয়া অসম পাকিস্তান রাষ্ট্রের শাসন-শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি দীর্ঘদিন ধরে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে আসে। ধাপে ধাপে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা বাঙালি পাকিস্তান রাষ্ট্র থেকে আলাদা হতে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করে। বাঙালির এই স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৭ মার্চের এই ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি পাকিস্তানিদের শাসন-শোষণ-নিপীড়ন থেকে নিজেদের মুক্ত করে স্বাধীনতা অর্জনের সুর্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২৫ মার্চের কালরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর হত্যাযজ্ঞ শুরু করলে, ওই রাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।



এ পাতার আরও খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ
নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা
জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি
মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না: তাহের বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না: তাহের
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না বিএনপি
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

আর্কাইভ

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ
নতুন মন্ত্রীসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা
আপাতত ঢাকায় থাকবেন প্রফেসর ইউনূস
জামায়াতের পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিল এনসিপি
মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না: তাহের
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না বিএনপি