মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট ২০২২
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » তাজিয়া মিছিল হোসেনি দালান থেকে শুরু
তাজিয়া মিছিল হোসেনি দালান থেকে শুরু
বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকাঃ পুরান ঢাকার ধর্মপ্রাণ হাজারো মুসলমান সূর্য ওঠার আগেই হোসেনি দালানে হাজির হয়েছেন । তাদের পরনে কালো কাপড়, মাথায় বাঁধা কালো পতাকা। আর তরুণদের হাতে কালো পতাকা। পুরান ঢাকার হোসেনি দালান থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে তাজিয়া মিছিল বের হয় সকাল ১০ টায়। মিছিলের সামনে-পেছনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক উপস্থিতি দেখা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে, তাজিয়া মিছিলে দা, ছুরি, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না।
সরেজমিনে দেখা যায়, তাজিয়া মিছিলে যেসব তরুণ অংশ নিয়েছেন, তাদের প্রায় সবার হাতেই কালো কাপড় দিয়ে মোড়া বাঁশের লাঠি। লাঠির অগ্রভাবে তরবারিসহ নানা প্রতীক। মিছিলে অংশ নেওয়া হাজারো মানুষ ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ মাতম তুলে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।
হোসেনি দালান থেকে শুরু হওয়া আজকের তাজিয়া মিছিলটি আজিমপুর, নিউমার্কেট হয়ে ধানমন্ডির দুই নম্বর সড়কে গিয়ে শেষ হবে। লালবাগের হোসেনি দালান থেকে শুরু শুরু হওয়া এই শোক মিছিল দেখতে নগরীর রাস্তার দুই ধারে জড়ো হয় শত শত মানুষ।
আজ ১০ মহররম। সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ একটি দিন আজ। দিনটি পবিত্র আশুরা নামে পরিচিত। হিজরি ৬১ সনের এই দিনে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা কারবালার ময়দানে ইয়াজিদের সৈন্যদের হাতে শহীদ হন।




যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
৪০০০ কিমি দূরের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত
ইরানকে নেতৃত্বশূন্য করতে চাই: যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কি নতুন পথে?
উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়ে লন্ডভন্ড দুই শতাধিক ঘরবাড়ি
ইরানের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ নয়’: ট্রাম্পকে ইউরোপীয় নেতারা
শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
ইরানি ‘শাহেদ’কে টেক্কা দিতে মার্কিন ‘লুকাস’ ড্রোন, ট্রাম্পের
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ইরানের হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইরানকে গোপনে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া 