বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২
প্রথম পাতা » পরিবেশ ও জলবায়ু | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড | স্বাস্থ্যকথা » দূষিত বায়ুতে অপরাধ বাড়ে-যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা
দূষিত বায়ুতে অপরাধ বাড়ে-যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা
বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকাঃ রাজধানী ঢাকার আশপাশ এলাকায় ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছেন, ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ার একটি বড় কারণ দূষিত পানি। ওয়াসার পানি নিরাপদ নয়, এমন বক্তব্য অনেকেরই। তবে সবচেয়ে দূষিত পানি ঢাকার মানুষ পান করছেন কি না, সেই গবেষণার তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
অতিসম্প্রতি দূষণ বিষয়ে দুটি প্রতিবেদন দেশের মানুষকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। একটি প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ ঢাকা শহরে। আরেকটি প্রতিবেদন বলছে, বায়ুদূষণে বিশ্বের সব নগরকে পেছনে ফেলেছে ঢাকা। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শহরে বায়ুদূষণ বেশি, সেসব শহরে অপরাধ বেশি। দূষিত বায়ু মানুষকে অনৈতিক কাজে প্ররোচিত করে।
বায়ু, পানি ও শব্দদূষণ ঢাকার অপরাধ পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলেছে কি না, তা গবেষণার বিষয়। এ কথা ঠিক, যেকোনো দূষণের পেছনে কিছু অপরাধ থাকে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে ব্যক্তি ও ব্যক্তিচালিত প্রতিষ্ঠান।
দূষণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন অপরাধ করে বা অনৈতিক আচরণ করে, তখন দূষণ বেড়ে যায়। তবে বায়ুদূষণের কারণে অপরাধ বা অনৈতিক আচরণ বৃদ্ধি পায়—এমন আলোচনা শুনতে পাওয়া যায় না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন গবেষক এমন দাবি করছেন যে বায়ুদূষণের কারণে অপরাধ বাড়ে, মানুষ অনৈতিক আচরণ বেশি করে।
গবেষকেরা যুক্তরাষ্ট্রের ৯ হাজার ৩৬০টি শহরের বায়ুদূষণের এবং অপরাধের ৯ বছরের তথ্য–উপাত্ত পর্যালোচনা করেছেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে এসব শহরের বায়ুর কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই–অক্সাইড, সালফার ডাই–অক্সাইড ও অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা বা পদার্থের তথ্য–উপাত্ত তাঁরা নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে। অপরাধের তথ্য তাঁরা নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) ইউনিফর্ম ক্রাইম রিপোর্টিং প্রোগ্রাম থেকে। পর্যালোচনার জন্য তাঁরা সাত ধরনের অপরাধকে বেছে নেন—খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, গুরুতর আঘাত, সিঁদেল চুরি, সাধারণ চুরি ও মোটরযান চুরি।
কেন মানুষকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়? দূষিত বায়ুতে কেন মানুষ অনৈতিক কাজে উদ্বুদ্ধ হয়? নাকি মানুষ বাধ্য হয়। এসব প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেন গবেষকেরা। এই পর্যায়ে তাঁরা আরও দুটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা করেন। দুটিই মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে।
গবেষকেরা পরিশেষে বলছেন, পরিবেশ বিপর্যয় বা বায়ুদূষণ মানুষের উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দেয়। উদ্বিগ্ন মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তাবোধ কাজ করে। অনেকের অনৈতিক আচরণের গতি পরিবর্তন হয়।
গবেষণা প্রবন্ধটি ২০১৮ সালে অ্যাসোসিয়েশন ফর সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স সাময়িকীতে ছাপা হয়েছিল। শিরোনাম ছিল ‘পলিউটেড মোরালিটি: এয়ার পলিউশন প্রেডিক্টস ক্রিমিনাল অ্যাকটিভিটি অ্যান্ড আনইথিক্যাল বিহেভিয়ার’। এই গবেষণার ফলাফলের সঙ্গে পরিবেশবিদ্যা, সমাজ–প্রতিবেশ মনোবিজ্ঞান, অপরাধবিজ্ঞান ও নৈতিকতা মনোবিজ্ঞানের সম্পর্ক রয়েছে।




ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গৃহবন্দি প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: রিপাবলিকানদের হটিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দিকে কেন- নজর রাখছে ভারত’
যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় গণহত্যা চালিয়ে গেছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে নতুন বার্তা মোজতবা খামেনির
ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর
কমনওয়েলথ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকবে: হুমায়ুন কবির
প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে টোকিওতে থাকবেন না রাষ্ট্রদূত, সমন্বয়ে থাকবে সচিব
বাংলাদেশের এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার 